Rohingya Camp Condition in Bangladesh, Latest Update
#রোহিঙ্গা_ইস্যু #Rohingya
অনেকে ভাবছে রোহিঙ্গা দের ক্যাম্পে পর্যাপ্ত ত্রান পৌছাচ্ছে, তারা সব সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। ধারনা টা ভুল। আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা আপনাদের কাছে ভাগ করছি। আর শুধু সরকারি নয়।
সরকারি, বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক সংস্তা গুলো সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে।
১. এখনো সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা অনবরত কাজ করে যাচ্ছে।
২. অতি ঘন বসতির কারনে ক্যাম্প বসবাসের একদম অনুপযুক্ত।
৩.তবে পর্যাপ্ত টিউবওয়েল রয়েছে সবগুলো ক্যাম্প জুরে।
৪. অনেকগুলো টয়লেট থাকলেও নেই পয়নিস্কাশন এর জন্য কোন ব্যবস্থা। যেহেতূ ক্যাম্প গুলোর অধিকাংশ ই পাহাড়ের উপর বা পাদদেশে। তাই পয় নিষ্কাসন করাও খুব সহজ কাজ নয়।
৫. বায়ুদূষণ এর মাত্রা অনেক বেশি। মল মুত্রের গন্ধ, পচা রক্তের গন্ধ সবগুলো ক্যাম্প জুরেই।
৬. নির্দিষ্ট সময় পর পর ত্রান বিতরন কাজ শুরু হয়। তাই যুবক /যুবতি রা ত্রান সংগ্রহ এর কাজে এগিয়ে। বৃদ্ধ দের শরীরের অবস্থা খুব সুবিধার নয়।
৭. রোহিঙ্গা দের কাছে কোন টাকা নেই, আর ক্যাশ টাকা ও কেউ দিতে চান না। তাই যা ত্রান পাওয়া যায় তা দিয়েই জীবন বাচানোর জন্য খেতে হয়। নিজের ইচ্ছেমত কিছু দোকান থেকে কিনে খাওয়ার সুযোগ কম।
৮.সামনে শীত আসছে, রাতের ঠাণ্ডা অতিক্রম করার কোন ব্যবস্থা নেই।কাপড় নেই যথেষ্ট এবং কাথা বা কম্বল ও নেই।
৯. সরাসরি টাকা দান করা অনিরাপদ এবং দুর্ভোগ অনেক বেশি। ঝুকির পরিমান বুঝতে পারে কোন দাতাই নগদ অর্থ ক্যাম্পে নিয়ে যায় না।
১০. পর্যাপ্ত মসজিদ নির্মান করা হচ্ছে, এবং কোরান শিক্ষার ব্যবস্থাও রয়েছে।
১১.ক্যাম্পের বাড়িগুলো বাশের ফালি এবং পলিথিন বা তেরপাল দিয়ে তৈরি তাই ঝড় বৃষ্টি হলে সহজেই নষ্ট হয়ে যাবে।
১২. অনেকগুলো মেডিকেল ক্যাম্প রয়েছে এবং নতুন করে ক্যাম্প বসানো হচ্ছে। তবে টাকার অভাবে বা সল্পতার কারনে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।
১৩. অধিকাংশ সাহায্যকারী ক্যাম্প গুলো মূল সড়কের সাথে। কারন ভিতরে ক্যাম্প করা ঝামেলার এবং মালপত্তর নেওয়া যামেলার। আর বড় কথা হচ্ছে ভতরে টিভি চ্যানেলের ক্যামেরা কম পৌছায়। রাস্তার কাছে থাকা সব দিক থেকেই সুবিধার। কিন্তু এই কারনে ভিতরে যারা আছে তারা কাওম সুবিধা পাচ্ছে আর রাস্তার পাশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলো বেশি সুবিধা পাচ্ছে।
১৪. পুরুষ রোহিঙ্গার সংখ্যা অনেক কম। অধিকাংশ বাচ্চা এবং নারী।
১৫. রোহিঙ্গা দের ভাষা স্থানীয়রা বুঝতে পারে। ভাষাগত দিক থেকে অনেক মিল চট্টগ্রাম এর ভাষার সাথে।
১৬.অনেকে ক্যাম্প ছেড়ে রাস্তার পাশে বসে থাকে দু হাত পেতে একটু সাহায্যের আশায় কিন্তু সাহায্য কি আর পায়! সবাই মহিলা
১৭. মহিলাদের চিকিৎসার জন্য অনেক মেডিকেল ক্যাম্প রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ মেডিকেল ক্যাম্পে মহিলা রোগী দেখতে পাই নি এবং তেমন লোক জন ও পাই নি কাজ করার, শুধুই তাবু টানিয়ে ব্যানার টানিয়ে রেখেছে হয়ত।
১৮. ক্যাম্পগুলো নিরব, তেমন সাড়াশব্দ নেই, ঘুরে মনে হলো মানুষ গুলো এখানে অনেক সুখে আছে তাদের নিজের দেশ থেকে।
১৯. তবে স্থানীয় লোকজন আতংকের মধ্যে আছে, টাকাটাই স্বাভাবিক। কারন রোহিঙ্গা রা এখন টেকনাফ কক্সবাজার এলাকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং তারা সবাই অভাবী। আর অভাবে স্বভাব নষ্ট এটা খুবই সত্য কথা। আর আগে থেকেই রোহিঙ্গা জাতি খুব উগ্র তবে ক্যাম্প ঘুরে তা মনে হয় নি।
২০. স্থানীয়রা রোহিঙ্গা দের সহ্য করতে পারে না তেমন, কয়েকজন কে গালা গালি দিতে শুনেছি রোহিঙ্গা নাম ধরে।
২১. রোহিঙ্গা দের কারনে সাধারন বাঙালী দের ভোগান্তি বেড়েছে হাজার গুন। রাস্তায় এখন চেকপোস্ট এ বার বার চেক করা হয় গাড়ি থামিয়ে।
২২. সরকারের অবস্থান ভালোই। খুব সন্দর ভাবে সকলের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এই রকম ব্যবস্থা যদি বাংলাদেশি গরীর দের জন্য করা হত তাহলে দেশ অনেক উন্নত হত।
বেশি কিছু মনে নেই আর। তবে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আল্লাহ এর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2120529861507868&id=100006526233145
Comments
Post a Comment